Wednesday May 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫ এ ০২:১১ PM

মোসা: শারমিন আক্তার-এর সফলতার গল্প (অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্প)

কন্টেন্ট: গল্প নয় সত্যি

মোসা: শারমিন আক্তার, পিতা: শায়ের উদ্দিন, গ্রাম: চক রামনগর, ইউনিয়ন: শ্রীমন্তপুর, নিয়ামতপুর,, নওগাঁ । কৃষক পরিবারের মেয়ে হওয়ায় কৃষির সাথে তার সখ্যতা ছোটবেলা থেকেই। শারমিন আক্তার লেখাপড়ার পাশাপাশি কৃষি কাজে পিতা মাতাকে সাহায্য করতেন। তার বিয়েও হয় কৃষক পরিবারে। স্বামী একজন আদর্শ কৃষক। বিয়ের পর শারমিন আক্তার গৃহিণীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বামীর কাজেও যথেষ্ট সাহায্য সহযোগিতা করেন। তাদের আবাদি জমির পরিমাণ ৫ বিঘা। নতুন প্রযুক্তি, কলাকৌশলের প্রতি তার সুপ্ত আগ্রহ ছিল। ২০২৩- ২৪ অর্থ বছরে পার্টনার ফিল্ড স্কুলে শারমিন আক্তার পুষ্টির উপর প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার ফলে সবজি ও ফল চাষ এবং এর পুষ্টিমান সম্পর্কে প্রয়োগিক জ্ঞান অর্জন করেন। প্রাপ্ত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে তিনি সবজি যেমন লাল শাক, পুই শাক, সবুজ শাক, ডাটা শাক, বেগুন, শসা, করলা, কলমি শাক, সজিনা প্রভৃতির পাশাপাশি বিভিন্ন ফল গাছ যেমনঃ কলা, ডালিম, পেয়ারা, লেবু প্রভৃতি চাষ করছেন। এগুলা থেকে প্রাপ্ত ফল ও ফসল একদিকে যেমন নিজের পারিবারিক চাহিদা পূরণ করছে অন্যদিকে বাজারে বিক্রি করে কিছুটা আর্থিক যোগানোও হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় সফলতাগুলো হলো এ সবজি ও ফল নিরাপদ ও বিষের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত। তিনি নিয়মিত পুষ্টিকর সুষম খাবার পুষ্টিমান রক্ষা করে পরিবারে সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছেন। তার পরিবার আগের চেয়ে তুলনামূলক সুস্থ সবল জীবন যাপন করছেন। তার একমাত্র ছেলে উৎপাদনমূলক ছোট ছোট কাজে বাবার মায়ের সাথে সঙ্গ পাওয়ায় মোবাইল আসক্তিও অনেকটা কমে এসেছে। পরিবার পরিচালনায় এমন বুদ্ধিমত্তা তাকে আলাদা সন্মান এনে দিয়েছে।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন