কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫ এ ০২:২৯ PM
কন্টেন্ট: গল্প নয় সত্যি
মো: আলতাফ হোসেন, পিতা: মো: আলাউদ্দিন গ্রাম: কাপাষ্টিয়া, ইউনিয়ন: হাজিনগর, উপজেলা: নিয়ামতপুর জেলা: নওগাঁ। ইতোপূর্র্বে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন বা ব্যবহার সম্পর্কে তিনি তেমন কিছুই জানতেন না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নিয়ামতপুর, নওগাঁ এর আয়োজনে উঠান বৈঠক থেকে ভার্মি কম্পোস্টের বিষয়ে জানতে পেরে তিনি বেশ আগ্রহী হন। পরবর্তীতে তিনি কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেন ও পরামর্শ লাভ করেন। তিনি ভার্মি কম্পোস্টের উপর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর অধীন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কৃষি উদ্যোক্তা মো: আলতাফ হোসেন পরবর্তীতে কোঁচো সার উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেন উৎপাদন। সফলতা আসে প্রথম চেষ্টাতেই। কৃষি অফিসের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা ও নিজের সফলতা তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। তিনি কোঁচো সার উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করেন। সুষ্টু পরিকল্পনা মাফিক কাজ তাকে পৌঁছে দেয় এক অনন্য উচ্চতায়। ২০২৪ খ্রি. সালের জানুয়ারি মাস থেকে অদ্যাবধি ২০০০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট/কোঁচো সার উৎপাদন করেন যার কিছুটা তিনি নিজের জমিতে ব্যবহার করেন ও অতিরিক্ত ভার্মি কম্পোষ্ট বাজারে ১৫/- (পনেরো টাকা) প্রতি কেজি দরে বিক্রি করেন। তিনি ভার্মি কম্পোস্ট বিক্রি করে এ পর্যন্ত ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার টাকা মাত্র) আয় করেছেন । তার এই সফলতা অন্য কৃষকদেরও কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। বর্তমানে অনেক কৃষকই তার এই কোঁচো সার উৎপাদনের কার্যক্রম দেখার জন্য আসেন এবং তার কাছে এই বিষয়ে বিভিন্ন পরামার্শ নেন। মো: আলতাফ হোসেন এভাবেই ঐ এলাকার একজন মডেল ও স্মার্ট কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন।
মো: আলতাফ হোসেন এর ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন কার্যক্রমের বিবরণ:
চারি/রিং ১০ টি
কেঁচো ৫ কেজি
ঢেউ টিন ৫ বান্ডিল
পলি ব্যাগ ১ রোল
পলি ব্যাগ সিলিং মেশিন ২ টি
ভার্মি কম্পোস্ট সেপারেশন মেশিন ১ টি
উৎপাদন
রিং প্রতি ৩০-৩৫ কেজি ২ মাস
সুতরাং প্রতি ২ মাসে ১০ টি রিং হতে উৎপাদন ৩০০-৩৫০ কেজি
বাৎসরিক উৎপাদন ১৮০০-২১০০ কেজি
কেজি প্রতি বিক্রয় মূল্য ১৫/-
সুতরাং মোট মূল্য ২৭০০০-৩১৫০০/-
বর্তমানে তিনি রিং এর পাশাপাশি হাউজে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির করছেন । এই বছরে উৎপাদন দ্বিগুণ হবে বলে তিনি মনে করেন।